27 C
Dhaka
বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ

ভারতে হিমবাহ গলে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজ দেড় শতাধিক

ভারতে হিমবাহ গলে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ দেড় শতাধিক

ভারতের উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ গলে সৃষ্ট বন্যায় তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে লোকালয়, ধসে গেছে দুটি বাঁধ। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে দেড় শতাধিক এর বেশি মানুষ। উদ্ধারকাজে সহায়তায় মোতায়েন করা হয়েছে ভারত সেনাবাহিনীকে ও বিমানবাহিনীকে।

ভারতের উত্তরাখন্ডের চামোলি জেলায় আবহাওয়া খারাপ বেশ কয়েকদিন ধরেই। প্রবল বর্ষণের সাথে চলছিলো তুষারপাতও। শনিবার রাতেই হিমবাহের একটি অংশ ভেঙে পড়ায় সতর্কতা জারি করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না।

রবিবার (৭ই ফেব্রুয়ারী) সকালেই জোশিমঠ শহরের কাছে অকস্মাৎ হিমবাহের পুরোটাই ধসে পড়লে ফুলে ফেঁপে ওঠে পাহাড়ি নদী ধুলিগঙ্গা। তীব্র জলোচ্ছাসে ভেসে যায় একের পর এক গ্রাম। ধসে যায় সেতু। সবশেষে দুটি বাঁধও ভেঙে পড়ে। দুকূল ভাসিয়ে নিয়ে যায় উন্মত্ত জলস্রোত।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, ঋষিগঙ্গা ও তপোবন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি ভেসে যাওয়ায় সেখানে কর্মরত প্রায় দেড় শতাধিক শ্রমিক নিখোঁজ হয়ে যায়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাদের কেউই আর বেঁচে নেই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ৬শ’রও বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন। সতর্কতা হিসেবে এরইমধ্যে চামোলির অলকানন্দা নদীর দু’পাশে কয়েক শতাধিক বাড়ি খালি করা হয়েছে।

উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্র সিং রাওয়াত জানান, আমরা আমাদের যথাসাধ্য করছি। দয়া করে শান্ত থাকুন। আশা করি জীবিত সবাইকে উদ্ধার করতে পারবো। আর দুর্গতরা জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য আর পানীয় পেয়ে যাবেন।

এর আগে, ২০১৩ সালে কয়েকদিনের প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ৬ হাজার মানুষ নিহত হয়। হাজার হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। ২০০৪ সালের সুনামির পর যেটিকে বলা হয় সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

সূত্রDBCNEWS

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৮৬১,১৫০
সুস্থ
৭৮৮,৩৮৫
মৃত্যু
১৩,৭০২
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৭৭,৬৮২,৮৭২
সুস্থ
১১৫,৯৩৭,২৮০
মৃত্যু
৩,৮৫১,২৬৮

জনপ্রিয় খবর

আর্কাইভ

Translate »